বাজারের সব ধরনের ডিমের মান পরীক্ষা করবে ভোক্তা অধিদপ্তর

বাজারে বিক্রি হওয়া সব ধরনের ডিমের মান পরীক্ষা করবে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে খামার থেকে বাজার পর্যন্ত ডিমের সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে তদারকি আরও জোরদার করা হবে।

বুধবার রাজধানীতে অধিদপ্তরের নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত ডিম ও মুরগির বাজার নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক জহিরুল ইসলাম। সভায় পোল্ট্রি খাতের উৎপাদক, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে ডিমের বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে বেড়েছে মুরগির দাম। এমন পরিস্থিতিতে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, পোল্ট্রি শিল্পের বিভিন্ন কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত গরম ও লোডশেডিংয়ের কারণে নিয়মিত উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গত কয়েক মাসে অনেক খামার বন্ধ হয়ে গেছে বলেও জানান তাঁরা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, খামারিরা উৎপাদন করে লোকসানের মুখে পড়লেও মধ্যস্বত্বভোগীরা তুলনামূলক বেশি মুনাফা করছেন। ফলে খামার থেকে বাজার পর্যন্ত সরবরাহব্যবস্থায় নজরদারি বাড়ানোর দাবি ওঠে সভায়।

ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জহিরুল ইসলাম বলেন, বাজার স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পাশাপাশি উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদেরও সহযোগিতা করতে হবে। তবে কেউ বাজারে কারসাজি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ধরনের ডিমের মান পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে খামার থেকে বাজার পর্যন্ত তদারকি বাড়িয়ে সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে তদারকি আরও জোরদার করা হবে বলেও জানিয়েছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অন্যদিকে, ডিম ও মুরগির বাজারে স্থিতিশীলতা আনার পাশাপাশি নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ভোক্তা সংগঠন ক্যাব।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ