
ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৩৪টি জেলায় বাজার তদারকি করে ৭৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৯ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগরসহ দেশের সব বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে পরিচালিত বাজার তদারকি কার্যক্রমে এসব জরিমানা করা হয়।
অধিদপ্তর জানায়, তদারকি কার্যক্রমের আওতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি মূল্যতালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি প্রতিরোধ, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ঔষধ বিক্রয় বন্ধ এবং নকল ও ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বিক্রয় রোধে বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়।
ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৩৪টি জেলায় অধিদপ্তরের ৫৫টি টিম এসব বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এতে ৭৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯,২৯,৫০০ (নয় লক্ষ ঊনত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট ও প্যাম্ফলেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বাজার তদারকিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প-বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
ভোক্তাদের প্রতি অধিদপ্তরের পরামর্শ
পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে পণ্যের সঠিক পরিমাপ ও ওজন বুঝে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
খাদ্য, পণ্য বা ঔষধ কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদনের তারিখ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া মিথ্যা ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন থেকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি ধার্যকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য না দেওয়ার জন্য ভোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।
জনস্বার্থে এ ধরনের বাজার তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সূত্র: জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
