
ঢাকা মহানগরসহ দেশের ২৬ জেলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ তদারকি অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে ৬৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিয়মিত বাজার তদারকির পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও অতিরিক্ত দাম আদায় বন্ধ, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শন নিশ্চিত করতে এ বিশেষ তদারকি চালানো হয়।
অধিদপ্তরের ঢাকা মহানগরসহ দেশের ২৬টি জেলায় ৩৭টি দল এ কার্যক্রম পরিচালনা করে। অভিযানে ৬৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
এ ছাড়া জনসচেতনতা বাড়াতে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট ও প্যাম্ফলেট বিতরণ করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ব্যবসায়ীদের প্রতি নির্দেশনা
গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি এবং সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি না করা, যৌক্তিক ও ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রি, প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ ও সঠিক মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং কৃত্রিম সংকট বা অযৌক্তিক মজুদ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের সময় রশিদ সংরক্ষণ ও ক্রেতাকে তা দেওয়ার বিষয়েও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।
ভোক্তাদের জন্য পরামর্শ
গ্যাস সিলিন্ডার কেনার সময় ওজন, সিল ও দৃশ্যমান ত্রুটি পরীক্ষা করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর। সিলিন্ডার ও ডিম কেনার আগে হালনাগাদ মূল্যতালিকাও যাচাই করতে বলা হয়েছে।
মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার না কেনা এবং পণ্য কেনার সময় বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় ভাউচার বা রশিদ সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম না দেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে কোনো অনিয়ম দেখা গেলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে।
জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
