কীটনাশকের দূষণ: জনস্বাস্থ্য রক্ষায় আর কত অপেক্ষা?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman, উদাহরণ স্বরূপ সামান্য কয়েকটি কীটনাশকে হেভিমেটাল এবং রেডিও এক্টিভ এলিমেন্টস (ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, এন্টিমনি) এর ল্যাব টেস্ট রিপোর্ট দিলাম। এবার দেশের সকল মোবাইল কোর্ট, ভোক্তা অধিকার, বিএসটিআই, জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিন এই ভয়াবহ সমস্যার সমাধান করে দিতে। দেখা যাক কতটুকু পারেন তারা।

কীটনাশকে এগুলো কোনো মাত্রায় থাকা জগতের কোনো দেশেই অনুমোদিত নয়। এজন্যই পৃথিবীর কোনো দেশেই এর মাত্রা নির্ধারণ করে দেয়নি। কীটনাশক বারবার স্প্রে করা হয় একই ফসলে। ফলে পরিবেশ, মাটি, পানি, মাছ, প্রাণী এবং সমস্ত ফসলকে তা’ দুষিত করে ফেলে। ফলে গোটা ফুড চেইনে ঢুকে গেছে ভয়াবহ মাত্রায় হেভিমেটাল, রেডিও এক্টিভ এলিমেন্টস এবং অন্যান্য দুষণ। এর পরিণতি, এইসব মারাত্মক কন্টামিনেশন মানবদেহে প্রবেশ করে বিকলাঙ্গ, পঙ্গু এবং অসুস্থ করে দিচ্ছে পুরো জাতিকে।

এইসব টেস্ট আরও করা হয়েছে। একই রেজাল্ট। যদি সন্দেহ হয়, সবাইকে নিয়ে একটা কমিটি করে সারা দেশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে একাধিক ল্যাবে টেস্ট করে দেখুন, ফলাফল কী আসে!

মোবাইল কোর্ট থাকবে। তাদেরকে আরও গতিশীল করতে সকল সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন। কমিটি করা হয়েছে । মোবাইল কোর্টের সকল সমস্যা সমাধানে কমিটির কার্য পরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। অনেক ভাল একটা বিষয় তা’।

কিন্তু নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অন্য বিষয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। মোবাইল কোর্ট দিয়ে ফুড চেইনের .০০১% নিরাপদ করাও সম্ভব নয়। বিশ্বের কোথাও রেকর্ড নেই তার।

সূত্র: We Are Bangladesh(WAB)

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ